সর্বশেষ

দাঁত সুস্থ রাখতে আপনার করণীয়

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ০২:৫৬, ডিসেম্বর ০৩ , ২০১৮

দাঁতের আজীবন সুস্থতা সবার কাম্য। তবু দাঁত ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আয়ু কমে যায়। আমাদের কিছু অভ্যাসের কারণে মূলত এমনটি হয়। আবার কিছু অভ্যাসের কারণে মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য সুস্থ থাকে। মুখ হলো সুস্বাস্থ্যের প্রবেশদ্বার। মুখের সুস্থতা মানে শরীরেরও সুস্থতা। দাঁতের সুস্থতার জন্য তাই যা করতে হবে তা হলোÑ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আর সকালে নাশতার পরই শুধু নয়, প্রতিবার খাবার খাওয়ার পরই দাঁত ব্রাশ করা ভালো। কারণ যা-ই খাই না কেন, তার কিছু না কিছু অংশ দাঁতের সঙ্গে লেগেই থাকে। এই লেগে থাকা খাদ্যকণা পচে গিয়ে তৈরি হয় অ্যাসিড, যা দাঁতের এনামেল নরম করে। এতে ক্রমে দাঁত ক্ষয় হতে থাকে। শুরু হয় ক্যারিজ বা ক্ষয়রোগ। তাই প্রতিবেলা খাওয়ার পর ব্রাশ করা ভালো। দাঁত ভালো রাখতে টুথব্রাশও খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি হতে হবে নরম, ছোটমাথা, মাথার শেষে গোলাকার ও নমনীয়, যেন কোনো বাধা ছাড়াই মুখের সব স্থানে সুন্দরভাবে পৌঁছে যায়। তিন মাসের বেশি একই ব্রাশ ব্যবহার করা মোটেও ঠিক নয়। টুথব্রাশের পাশাপাশি পেস্টের গুরুত্বও কম নয়। অবশ্যই ফ্লোরাইডযুক্ত পেস্ট বেছে নিতে হবে। ছাই, কয়লা বা দানাযুক্ত পাউডার ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। সাধারণ ব্রাশ দিয়ে দুদাঁতের মধ্যবর্তী স্থান ভালোবাবে পরিষ্কার করা যায় না। ডেন্টাল ফস’ নামক বিশেষ ধরনের সুতা দিয়ে এই স্থান পরিষ্কার রাখতে হবে। ফস হলো দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে আটকে থাকা খাদ্যকণা বের করা। অনেকে কাজটি করেন টুথপিক বা খিলাল কিংবা পিন জাতীয় ধাতব দিয়ে। তবে কাজটি সুতা দিয়ে করা ভালো। প্রতিবেলা খাওয়ার পর সম্ভব না হলে দিনে অন্তত একবার ফস করলে দাঁত ভালো থাকে। ব্রাশের পর আঙুল দিয়ে মাড়ি মালিশ করতে হবে, সঙ্গে জিহ্বাও পরিষ্কার করতে হবে। শিশুদের দাঁত ওঠার সঙ্গে সঙ্গে দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে। বছরে অন্তত দুবার ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সর্বোপরি দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় নিজেকেই সচেতন থাকতে হবে। লেখক : দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন তায়েফ ডেন্টাল হাসপাতাল, সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সৌদি আরব

পাঠকের মন্তব্য
লগইন করুন
লগইন মনে রাখুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ