সর্বশেষ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ফেন্সিডিলসহ ২ নারী ব্যবসায়ী আটক

মিজানুর রহমান, জীবন নগর প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা থানা পুলিশের চলমান মাদকবিরোধী  অভিযানে শুক্রবার সকালে ফেন্সিডিলসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।  আটককৃত দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছে -চুয়াডাঙ্গা সদর থানার রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামের উজ্বল হোসেনের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন(২৮) এবং.....

নলছিটি সিটিজেন ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কমিটি গঠন

কামরুল হাসান মুরাদ:: ঝালকাঠির নলছিটিতে সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘নলছিটি সিটিজেন ফাউন্ডেশন (এনসিএফ)’ এর.....

রাজাপুরে কোরবানির পশুর হাট জমজমাট

কামরুল হাসান মুরাদ:: ঈদুল আজহা উপলক্ষে এবার ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার ২টি কোরবানির পশুর হাট বসছে। রাজাপুরের বাঘড়ি বাজার ও পূর্ব.....

বেনাপোলে ৭শত ১৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার

আরিফুজ্জামান আরিফ।।বেনাপোল সীমান্ত থেকে ৭শত১৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বেনাপোলের শিকড়ি.....

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ স্বল্প উন্নত হতে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিনত, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান এমপি

রিফুজ্জামান আরিফ।।নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান এমপি বলেছেন, আওয়ামলীলীগ সরকার আসার আগে বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে মাত্র ২৬ কোটি.....

সাতক্ষীরায় ২৫০পিচ ইয়াবাসহ তিন চোরাকারবারি আটক

রেদওয়ানুল ফেরদৌস রনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পৃথক অভিযানে ২৫০ পিচ ইয়াবা সহ ৩জন আটক করেছে.....

পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন কিংবদন্তী ক্রিকেটার ইমরান খান। তিনি হবেন দেশটির ২২তম প্রধানমন্ত্রী।.....

রায়পুরে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

অ আ আবীর আকাশ,লক্ষ্মীপুর: লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ইব্রাহিম খলিল (২৬) নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার.....

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন আহত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহে সড়ক আহত হয়েছে কমপক্ষে ১৫ জন। কালীগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, দুপুরে কুষ্টিয়া থেকে রূপসা.....

ফেসবুকে গুজব ছড়ানো অভিযোগে নারী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ ওয়েস্টার্ন.....

চুয়াডাঙ্গার ভালাইপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক : চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ভালাইপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। নিহত সেই বৃদ্ধের নাম নজির হোসেন.....

  • সর্বশেষ
  • সর্বশেষ পঠিত

অবশেষে রানার বিরুদ্ধে আদালতে দুদকের চার্জশিট দাখিল

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বাধা দিলে পাল্টা জবাব- খালেদা

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

'নক্ষত্র'-এ ই-শপিং

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বিশ্বের শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই ঢাবি

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ...

প্রতিনিধী | আপডেট: ১৫:১৮, আগস্ট ১৭ , ২০১৮

রিফুজ্জামান আরিফ।।নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান এমপি বলেছেন, আওয়ামলীলীগ সরকার আসার আগে বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে মাত্র ২৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়ে্েছ। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর বেনাপোল স্থল বন্দর থেকে ১১১ কোটি টাকা লাভ হযেছে। চট্রগ্রাম বন্দরে রিজার্ভ ছিল মাত্র সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা বর্তমানে চট্রগাম বন্দরের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা। মংলা বন্দরের লোকসান ছিল ১১ কোটি টাকা আজ সেখানে ৭৫ কোটি টাকা লাভ দাঁড়িয়েছে। বেনাপোল বন্দরকে আরো উন্নত করতে এবং ব্যবসা বানিজ্য সম্প্রসারন করতে ১৭৫ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে আজ সেই জমির ভিতর ২৬ একর জমির চেক দেওয়া হলো। আওয়ামলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। শুকবার বেনাপোল চেকপোষ্ট আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালে বেনাপোল স্থল বন্দরের ব্যবসা বানিজ্য সম্প্রসারনের লক্ষে বেনাপোল স্থল বন্দরেরর গতিশলিতা আনায়নের নিমিত্তে গঠিত উপদেষ্টা কমিটির ৯ম সভায় উপদেষ্ঠা কমিটির সভাপতি নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান এমপির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন , নৌপরিবহন সচিব আব্দুস সামাদ, যুগ্ম সচিব হাবিবুর রহামান, বাংলাদেশ স্থল বন্দরের চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী,বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন, খুলনা বিভাগীয় পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর (জেনারেল ডিআইজি) নাহিদ হোসেন, যশোর জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিন বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসাইন, বেনাপোল স্থল বন্দরের পরিচালক আমিনুল ইসলাম, যশোর পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন, বিজিবির টুআইসি মেজর নজরুল ইসলাম, বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি আবু সালেহ মাসুদ করিম, শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম মসিউর রহমান, বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন, ভারত – বাংলাদেশ আমদানি রফতানি বানিজ্যের সভাপতি মতিউর রহমান, বেনাপোল সিএন্ড এফ এ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক জামাল হোসেন ,যশোর, সীমান্ত, বেনাপোল, বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকবৃন্দ সহ অন্যারা। বেনাপোল বন্দরেরর ব্যবসায়িরা অভিযোগ করে বলেন আমাদের আমদানি পন্য বিজিবি পথে পথে আটক করে হয়রানি করে। অনেক সময় বিজিবি ভুল তথ্যের ভিত্তিতে এ গুলো আটক করে দীর্ঘ সময় আমাদের নাজেহার করে থাকে। আমরা বিজিরিবর এ হেন হয়রানি থেকে মুক্তি থেকে পেতে চাই। এ কথা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যবসায়িরা। উপদেষ্টা কমিমিটর সভাপতি নৌপরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান এমপি বলেন, বেনাপোল বন্দরকে ইউনিফাইড বন্দর হিসাবে গড়ে তোলার জন্য ১৭৫ একর জমি অধিগ্রহনের মধ্যে আজ ২৬ একর জমির চেক জেলা প্রশাসকের কাছে প্রদান করা হলো। আর বিজিবি যদি এরকম হয়রানি করে থাকে তাহলে তাহলে বিজিরিব সাথে আলাপ আলোচনা করে এর সমাধান করতে হবে। কারন বিজিবি ও একটি বাহিনী। তাদের অনেক সময় গোয়েন্দা তথ্যর ভিত্তিতে গাড়ি তল্লাশি করতে হয়। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সে ক্ষেত্রে বিজিবি তল্লাশি করবে। এ সময় তিনি বলেন আগ্নেয় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য থাকলে সে ক্ষেত্রে বিজিবি তল্লাশি করতে পারে,তিনি এসময় বলেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কোন গাড়ি আটক করা যাবে না। মন্ত্রী শাহজাহান খান বলেন আমাদের যত রকম সহযোগিতার প্রয়োজন তা করা হবে বন্দর উন্নয়নের জন্য। যদি আরো জামি লাগে তা আপনারা দেখে আমাদের জানান। টাকার সমস্যা নাই আমরা আরো জমি অধিগ্রহন করব বেনাপোল বন্দরের জন্য। এখানে যানজট এবং পন্যজট এর জন্য দ্রুত জায়গা নিয়ে টার্মিনাল ও আমদানি পন্য রাখতে হবে। আজ আওয়ামীলীগ সরকার ১২ টি গেজেট ভুক্ত বন্দর থেকে ২৩ বন্দরকে গেজেট ভুক্ত করেছে।ইতিমধ্যে নদী পথে আমদানি বাড়াতে ১৫ ০০ কিলোমিটার নদী খনন বা ড্রেজিং করা হয়েছে। আজ প্রধান মন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশকে আরো গতিশীল করে দেশকে স্বল্প উন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিনত করা হয়েছে । আগামিতে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে নিয়ে যাবে সে লক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কাজ করে যাচ্ছে।

অর্থনীতি

খরচ বাড়বে গরিবের কমবে ধনীদের মোবাইল ফোনে...

দেশে অভিন্ন কলরেট চালু হওয়ায় সাধারণ গ্রাহকের খরচ বাড়লো না কমলো- সেটা নিয়েই গতকাল মঙ্গলবার দিনভর ছিল আলোচনা। মার্কেট বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অভিন্ন কলরেট চালু হওয়ায় গরিবের খরচ কিছুটা বেড়ে যেতে পারে। আর ধনীদের খরচ কিছুটা কমতে পারে। সোমবার মধ্যরাত থেকে দেশে মোবাইল ফোনে অভিন্ন কলরেট চালু হয়েছে। এই কলরেট সর্বনিম্ন ৪৫ পয়সা আর সর্বোচ্চ ২ টাকা। আগে যেখানে ছিল অননেট (একই অপারেটরের নম্বরে) কল ছিল সর্বনিম্ন ২৫ পয়সা সর্বোচ্চ ২ টাকা। আর অফনেট (এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে) কল ছিল সর্বনিম্ন ৬০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২ টাকা।

 

বিশ্লেষকরা বলছেন, সাধারণ দরিদ্র মানুষ সবসময় হিসাব করেই মোবাইল ফোনে কথা বলেন। তারা অনেকেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। ফলে বিশেষ প্যাকেজ নিয়ে তারা ২৫ থেকে ৩০ পয়সার মধ্যে কথা বলতেন। এখন তাদের সেই খরচ প্রতি মিনিটে ২০ পয়সা বেড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে যারা অফনেট অননেট দেখে কথা বলতেন না তাদের জন্য খরচ কমবে। এটা মূলত উচ্চ আয়ের মানুষ করে থাকেন। কারণ আগে অফনেটে কথা বলতে খরচ হতো ৯০ পয়সা থেকে দেড় টাকা পর্যন্ত। এখন সেটা অনেকখানি কমবে। তবে সার্বিক বিচারে বলা হচ্ছে মোবাইল ফোনের এখন খরচ কমে যাবে।

 

তবে বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেছেন, ‘আমরা অনেক দিন ধরে স্টাডি করছিলাম, এর ফলে এখন সবগুলো অপারেটর সমান সুবিধা পাবে। ফলে, এখন যেকোন অপারেটরে ফোন করলে প্রতি মিনিট রাত-দিন ৪৫ পয়সা কলরেট হবে।’ কেউ গ্রামীণফোন থেকে গ্রামীণফোনে কথা বলতে যে খরচ হতো সেই গ্রাহকের একটু অসুবিধা হবে বলেও স্বীকার করেছেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান। সার্বিকভাবে গ্রাহকের সুবিধে হবে বলে মনে করেন তিনি। কিন্তু অপারেটররা ইচ্ছে করলে ৪৫ পয়সা না নিয়ে একটু বেশিও নিতে পারবে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গ্রাহকরা অভিযোগ করেছন, কলের খরচ বেড়েছে। অন্যদিকে মোবাইলফোন অপারেটররা বলছে, খরচ আসলে কমলো। মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) চালু হলে গ্রাহকরা এখনের চেয়ে আরও কম খরচে মোবাইলে কথা বলতে পারবেন। অপারেটররা বলেছে, নতুন নিয়মে গ্রাহকরা সুফল পাবে। অননেট কলের সর্বনিম্ন সীমা ২৫ পয়সা হলেও গ্রাহকদের গড় খরচ হতো ৩৯-৪০ পয়সা। আর অন্য অপারেটরে (অফনেটে) কলের সর্বনিম্ন সীমা ৬০ পয়সা হলেও গ্রাহকের খরচ হতো ৮৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪০ পয়সার মতো। নতুন কলরেট চালুর ফলে একই অপারেটরে কলের খরচ ৫ পয়সা বাড়লেও অন্য অপারেটরে কলের ক্ষেত্রে খরচ কমবে ৪৫ থেকে ৫০ পয়সা। মূলত গ্রাহক সংখ্যায় ছোট অপারেটরের গ্রাহকরা এই সুবিধা পাবেন বলে মনে করছে অপারেটররা। তবে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ মোবাইল ফোনে হিসেব করেই কথা বলতেন। তারা এফএনএফ বা বিশেষ প্যাকেজ ব্যবহার করে ২৫ থেকে ৩০ পয়সার মধ্যেই কথা বলতেন। এখন এই খেটে খাওয়া মানুষের খরচ বেড়ে যাবে।

 

গ্রামীণফোনের হেড অব কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স মাহমুদ হোসেন মাসখানেক আগে এ প্রতিবেদকসহ কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালে বলছিলেন, অফনেট-অননেট তুলে দিলে একেবারে গরিব শ্রেণির মানুষের খরচ কমবে। এতে হয়ত অপারেটরদের খুব বেশি লাভ বা ক্ষতি হবে না, তবে এক শ্রেণির গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আবার যারা এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে বেশি কথা বলেন তারা লাভবান হবেন।

 

সাংবাদিকদের কাছে রবির হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স শাহেদ আলম বলেছেন, আসলে কলরেট কমলো। দেশের মোটকলের মধ্যে অননেট হলো ৬৫ এবং অফনেট হলো ৩৫ শতাংশ। এর মধ্যে দামের পার্থক্য ছিল ১৪৫ শতাংশ। নতুন কলরেটের কারণে কলরেট কমলো প্রায় ৬৫ শতাংশ। অফনেট ও অননেটের মধ্যে দামের যে বৈষম্য ছিল তা দূর হলো। এমএনপি চালু হলে গ্রাহক আরও বেশি উপকৃত হবেন।

 

বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমানও সাংবাদিকদের বলেছেন, বাংলালিংক সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এটি গ্রাহকদের নেটওয়ার্ক বেছে নেওয়া ও একই কলরেটে অননেট ও অফনেট কল করার স্বাধীনতা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রা আরও সহজ করতে ভূমিকা রাখবে যা আগে সম্ভব ছিলো না। সব ধরনের নির্দেশ মেনে এটি বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বাংলালিংক তার গ্রাহককে সবসময় বেশি সুবিধা দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

রাজনীতি

রাজনীতির নামে অপরাজনীতি মেনে নেয়া হবে না

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ১৭:৪৫, আগস্ট ১৬ , ২০১৮

অনলাইন ডেস্ক: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমি একদিন ইডেন কলেজের প্রিন্সিপালকে ফোন দিয়েছিলাম। তিনি আমার কাছে কিছু অপকর্মের কথা জানান। আমি তাকে এই অপকর্ম রুখতে বললে তিনি বললেন, তিনি ভয় পান, সাহস পাচ্ছেন না। প্রিন্সিপাল আপনি যদি সাহস না পান, তাহলে এই ইডেন কলেজ কিভাবে চালাবেন? অপকর্মের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সাহস থাকতে হবে। রাজনীতির নামে অপরাজনীতি মেনে নেয়া হবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ইডেন মহিলা কলেজে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ প্রশ্ন করেন তিনি।  ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখানে বসে হাততালি না দিলে বঙ্গবন্ধু খুশি হবেন, তার আত্মা শান্তি পাবে, শান্তি পাবেন তখন, যখন আমরা অপকর্ম করা থেকে বিরত থাকব। সবাই বিবেককে জিজ্ঞাসা করুন, বঙ্গবন্ধুকে সবাই কতটা সম্মান করি। তার আদর্শ আমাদের জীবনে কতটুকু প্রভাব ফেলেছে? সেটাই আজ আমাদের আত্ম জিজ্ঞাসা করার সময় এসেছে। ’ সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা কিছু নেতা সৃষ্টি করলাম, সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা তাদের পছন্দ করে না, এই ছাত্রলীগের দরকার নেই। যাদের নেতা বানালাম, তারা নেতৃত্ব দিয়ে ছাত্রলীগের ইমেজ বাড়াবে, সমর্থক বাড়াবে, কর্মী বাড়াবে।

সারাদেশ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ফেন্সিডিলসহ ২ নারী...

মিজানুর রহমান, জীবন নগর প্রতিনিধি : চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা থানা পুলিশের চলমান মাদকবিরোধী  অভিযানে শুক্রবার সকালে ফেন্সিডিলসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।  আটককৃত দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছে -চুয়াডাঙ্গা সদর থানার রাঙ্গিয়ারপোতা গ্রামের উজ্বল হোসেনের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন(২৮) এবং কুন্দিপুর গ্রামের আবুবক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী হালিমা খাতুনের (৩০)।  জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে জীবননগর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জাহিদ, এসআই সিরাজ, এএসআই সাজ্জাদ, এএসআই সুলতান, এএসআই মাসুদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ উপজেলা সন্তোষপুর মোড়ে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার সময় অভিযান পরিচালনা করে আম্বিয়া খাতুন ও হালিমা খাতুনের দেহ তল্লাশী করে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৬০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুর রহমান ফেন্সীডিলসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ীর আটকে ঘটনা স্বীকার করে বলেন, আটক মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটি মামলা হয়েছে।

খেলাধুলা

শার্শার উলাশী রামপুরে বাবু স্মৃতি ফুটবল...

প্রতিনিধী | আপডেট: ১৫:১৫, আগস্ট ১৭ , ২০১৮

আরিফুজ্জামান আরিফ।।উৎসব মুখর পরিবেশে শার্শার উলাশী রামপুরে বাবু স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রামপুরের সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় মাঠে শুক্রবার বিকালে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় জামতলা ফুটবল একাদশ বকুলিয়া ফুটবল একাদশ কে ৪-৩ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলার নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র হলে ট্রাইব্রেকারে খেলাটি শেষ করা। বাবু স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রপিটি তুলে দেন উলাশী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আয়নাল হক। এ সময় সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন মেম্বর, বাগআঁচড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আরিফুজ্জামান আরিফ, সাধারন সম্পাদক আবু সাঈদ, সাংবাদিক শাহরিয়ার হুসাইন, মেম্বর হাওয়া বিবি হাফিজুর আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুস সালাম তালুকদার,যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম রফি, ছাত্রলীগ নেতা জাকির হোসেন, রাকিব হোসেন, হাদিউজ্জামান হাদিউর,জাহিদ হাসান সুমন, রনি, রানা, রনিসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বিনোদন

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তিন কাহিনিচিত্র

দেশের ৩টি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে আজ প্রচার হবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত ৩টি কাহিনিচিত্র। কাহিনিচিত্রগুলো হলো ‘তখন পঁচাত্তর’, ‘কবি ও কবিতা’ ও ‘জনক ১৯৭৫’। এই ৩টি কাহিনিচিত্র নির্মিত হয়েছে সহিদ রাহমানের ‘মহামানবের দেশে’ গল্প অবলম্বনে।

 

১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয়েকজন চক্রান্তকারী সেনা সদস্যের হাতে সপরিবারে নিহত হন। এই কলঙ্কিত দিনটির পর দেশে কী ঘটেছিল, কারা প্রতিবাদ করতে পেরেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে যারা রাজপথে নেমেছিলেন তাদের জন্য তা কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। এমনকি নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকায় আদিবাসী গারো সম্প্রদায়ও এর প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। এ আন্দোলন দমাতে তত্কালীন প্রশাসন গারো সম্প্রদায়ের ওপর ব্যাপক হামলা চালায়। এ রকম আরো অজানা গল্প জানা যাবে এই ৩টি কাহিনিচিত্রের মাধ্যমে।

 

আজ রাত ৮টায় আরটিভিতে প্রচার হবে ‘তখন পঁচাত্তর’। কাহিনিচিত্রটির চিত্রনাট্য করেছেন মিরন মহিউদ্দীন। পরিচালনা করেছেন আবু হায়াত মাহমুদ। অভিনয়ে আছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, রুনা খান, এসএম মহসীন, শ্যামল মাওলা, ঊর্মিলা শ্রাবস্তী কর, রাশেদ মামুন অপু, রামিজ রাজু ও হিন্দোল রায়।

 

রাত ৮টায় চ্যানেল আইয়ে প্রচার হবে ‘কবি ও কবিতা’। এই কাহিনিচিত্রের চিত্রনাট্য লিখেছেন পান্থ শাহরিয়ার, পরিচালনা করেছেন রোকেয়া প্রাচী। এতে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল, এসএম মহসীন, লুসি তৃপ্তি গোমেজ, শাহাদাত্ হোসেন নিপু ও একে আজাদ সেতু।

 

‘জনক ১৯৭৫’ কাহিনিচিত্রের চিত্রনাট্য শাহীন রেজা রাসেলের। পরিচালনা করেছেন আজাদ কালাম। এতে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, তমালিকা কর্মকার, আরমান পারভেজ মুরাদ, শ্যামল মাওলা, মিজানুর রহমান ও নাফা। কাহিনিচিত্রটি আজ এটিএন বাংলায় রাত ৯টায় প্রচার হবে।

আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান...

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ১৪:৩৫, আগস্ট ১৭ , ২০১৮

অনলাইন ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন কিংবদন্তী ক্রিকেটার ইমরান খান। তিনি হবেন দেশটির ২২তম প্রধানমন্ত্রী। দেশটির পার্লামেন্টের সদস্যদের ভোটে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তেহেরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান। ৬৫ বছর বয়সি ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন আগামীকাল শনিবার। আজ শুক্রবার দেশটির জাতীয় পরিষদে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের জন্য ভোটাভুটি হয়। নির্বাচনে ইমরান খানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মুসলিম লিগের (নওয়াজ) প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ। পার্লামেন্টে ইমরান খান পেয়েছেন ১৭৬ ভোট, অন্যদিকে শাহবাজ শরিফ পেয়েছেন ৯৬ ভোট।    দেশটির সংবাদ মাধ্যম দ্য ডন জানিয়েছে, ইমরানকে ঠেকানোর জন্য বিরোধী পক্ষ জোট করার চেষ্টা করে। তবে তা শেষ মুহূর্তে ভেস্তে যায়। কারণ পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ভোটদানে বিরত থেকেছে। এ ছাড়া মুত্তাহিদা মজলিস-ই-আমল (এমএমএ) এবং জামায়াত-ই-ইসলামিও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে কাউকে ভোট দেয়নি। গত ২৫ জুলাই পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন লাভ করে পিটিআই। নির্বাচনে পিটিআই লাভ করে ১১৬টি আসন। মুসলিম লিগ (নওয়াজ) ৬৪টি, পিপিপি ৪৩টি আসন লাভ করে। সরকার গঠনের জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেনি পিটিআই। তবে পার্লামেন্টে ছোট দলগুলোর সমর্থন পেয়েছেন ইমরান।   গত ১৩ আগস্ট পার্লামেন্টের নবনির্বাচিত সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। নবনির্বাচিত সদস্যরাই গত বুধবার নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করেন।     পিটিআইয়ের নেতা আসাদ কায়সার পার্লামেন্টের স্পিকার নির্বাচিত হন। তাঁর ডেপুটি নির্বাচিত হন কাসিম সুরি। তিনিও পিটিআইয়ের নেতা। ক্রিকেট থেকে অবসরের পর ১৯৯৬ সালে ইমরান খান প্রতিষ্ঠা করেন তেহেরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। প্রতিষ্ঠার ২২ বছরের মাথায় দেশটির ক্ষমতায় এল দলটি। ১৯৯২ সালে ইমরান খানের নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জয় করে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে ১৯৯২ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানের হয়ে শেষ ম্যাচটি খেলেন তিনি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেটা ছিল বিশ্বকাপের ফাইনাল। ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে বিশ্বকাপ হাতে নিয়েই অবসরের ঘোষণা দেন ইমরান। তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৯ বছর।

শিক্ষা

ইবি ছাত্র ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট বয়ের ...

প্রতিনিধী | আপডেট: ১৪:০৫, আগস্ট ১১ , ২০১৮

প্রতিনিধি : ছোটবেলা থেকেই ভালো ছাত্রদের কাতারে নাম ছিল তার। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেও মেধার স্ফূরণ ঘটিয়েছেন। অনার্সে ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট। মাস্টার্সেও একই রেজাল্টের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্নে বিভোর এই ছেলেটির একটি ভুল পদক্ষেপে সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। স্বপ্ন বিনাশ হয়েছে। ভালোবাসার জন্য নিজের জীবনটাই বিসর্জন দিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ভালো ছাত্রটি পরীক্ষার খাতায় সেরা পারফর্ম দেখাতে পারলেও জীবনের খাতায় একেবারে ফ্লপ করেছেন। যোগ দিয়েছেন বোকাদের দলে। ভালোবাসার মৃত্যুর পর নিজেকেও সপে দিয়েছেন। ট্রেনের নিচে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যার ভয়ংকর পথ বেছে নিয়েছেন তিনি। এনিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে স্বজনদের মাঝেও হাহুতাশ শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিমান এই ছেলেটি কি করে পারলো এমন বোকার মতো আত্মঘাতি হতে? এমন প্রশ্ন সবার। সামনে যার আলোকিত স্বপ্ন সেই ছেলেটি কেন এভাবে আবেগের বশবর্তী হয়ে চলে গেল না ফেরার দেশে। এভাবে কোন কিছুর সমাধান করা যায় না, সেটা হয়তো জানা ছিল না এই ছাত্রের। সুন্দর জীবনের গল্পের পরিসমাপ্তি করে আফসোস রেখে যাওয়া এই ছাত্রটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। ফিনান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের এই সেরা ছাত্রটি মাস্টার্সেও ফার্স্ট হতেন বলে বিভাগের শিক্ষকদের অভিমত। ছোট একটি ভুলে রোকনুজ্জামান রোকন ওরফে রনক নামের এ ছাত্রটি চলে গেছে না ফেরার দেশে। জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১১-২০১২ বর্ষের মাস্টার্স শেষ বর্ষের অধ্যয়নরত ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ছাত্রী কুমুদ তুরফা হেনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল রনকের। ওই ছাত্রী বৃহষ্পতিবার রাতে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেন। গার্লফ্রেন্ডের এমন আত্মহত্যার সংবাদ শুনে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি রনক। পোড়াদহ থেকে ছেড়ে যাওয়া গোয়ালন্দগামী শাটল ট্রেনের নীচে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। ভালোবাসার নিদর্শন হতে চরম বোকামির পরিচয় দিয়ে রনক চলে গেছেন না ফেরার দেশে। ইবির প্রক্টর প্রফেসর মাহবুবর রহমান জানান, বৃহষ্পতিবার সন্ধ্যায় আমাদের সহকর্মী প্রফেরস আশরাফুল আলমের মেয়ে হেনা ঝিনাইদহের বাসায় গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন। এর ঘন্টা দুই পরে সংবাদ পাই একই বিভাগের ছাত্র রোকনুজ্জামান ট্রেনের নিচে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। তবে হঠাৎ দু’জনই কি কারণে এমন আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত নিলেন সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোন ধারণা পাওয়া যায়নি।গতকাল শক্রবার সকাল ৯ টার কার্পাসডাঙ্গা কবরস্থানে রোকনের লাশ দাফন করা হয়।রোকনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।রোকনের জানাযায় হাজারো মানুষের ঢল নামে

স্বাস্থ্য

একসঙ্গে ৬ সন্তান প্রসব, একটিও বেঁচে নেই

বিশেষ প্রতিনিধী | আপডেট: ১৪:৩৩, জুলাই ০৪ , ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় এক সঙ্গে ছয়টি মৃত সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী। আজ বুধবার বিকেলে আশুগঞ্জের বেসরকারি ক্লিনিক নূর মেডিকেল সেন্টারে সন্তানগুলোর জন্ম হয়। ওই নারীর নাম মাহিনূর আক্তার (২৮)। তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার দেউবাড়িয়া গ্রামে। মাহিনুরের স্বামীর নাম আবুল কালাম। তিনি সৌদি আরবে থাকেন। স্বজনরা জানান, প্রায় চার বছর আগে মোবাইলে ফোনের মাধ্যমে মাহিনুরের বিয়ে হয় সৌদি আরব প্রবাসী আবুল কালামের সঙ্গে। বিয়ের প্রায় এক বছর পর কালাম দেশে আসেন। প্রায় চার মাস পর আবার বিদেশে চলে যান। এরপর উভয় পরিবারের লোকজন সন্তানের জন্য মাহিনূরকে বিভিন্ন কবিরাজি ওষুধ খাওয়ান। প্রায় দুই বছর পর কালাম আবারও দেশে আসেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী সন্তান ধারণ করেন। পাঁচ মাস পর বিদেশে চলে যান কালাম। গত মঙ্গলবার বিকেলে মাহিনুরের প্রসব বেদনা উঠে। আজ বুধবার সকালে তাঁকে নূর মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, গর্ভে চারটি সন্তান থাকতে পারে। এরপর বিকেলে বাড়ি ফেরার পথে নৌকার উঠতে গেলে মাহিনুরের আবার প্রসব বেদনা ওঠে। এ সময় তিনি নৌকাতেই একটি সন্তান প্রসব করেন। পরে তাঁকে দ্রুত আবার নূর মেডিকেলে সেন্টারে আনা হয়। চিকিৎসকের সহায়তায় একে একে আরো পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন মাহিনূর। মাহিনুরের বাবা আব্বাস আলী ও শ্বশুর লাবু মিয়া জানান, সম্ভবত সন্তানের জন্য মাহিনূরকে তাঁর মা ও শাশুড়ি কিছু কবিরাজি ওষুধ খাইয়ে থাকতে পারেন। এ ব্যাপারে ওই ক্লিনিকের চিকিৎসক শাহান আরা জানান, কোনো প্রকার অস্ত্রোপচার ছাড়াই ছয়টি অপরিপক্ক বাচ্চা ভূমিষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে চারটি ছেলে ও দুইটি মেয়ে। সবগুলোর বাচ্চার কেবল হাত-পাসহ শারীরিক গঠন হয়েছে। চিকিৎসক জানান, গর্ভধারণে সহায়ক যেকোনো ওষুধ গ্রহণসহ নানা কারণে মাতৃগর্ভে একাধিক ভ্রণের জন্ম হতে পারে। মাত্র চার থেকে পাঁচ মাস বয়সী এ বাচ্চাগুলোর শারীরিক গঠন পুর্ণাঙ্গতা পায়নি। ফলে তারা মৃত অবস্থায় ভূমিষ্ট হয়েছে। বর্তমানে মায়ের শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো। তবে মায়ের স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

আইটি টেক

স্মার্টফোন আসক্তি কমানোর ৫ উপায় 

স্টাফ | আপডেট: ১৭:৩৩, জুন ২০ , ২০১৮

শেখ ইব্রাহিম ষ্টাফ রিপোর্টার : প্রযুক্তির যুগে আমরা স্মার্টফোনেই বেশি সময় কাটাই। অনেক ব্যবহারকারী শোবার আগে শেষ কাজ হিসেবে স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার ঘুম থেকে উঠেই সবার আগে ফোন চেক করেন। শুধু তাই নয়, অনেকে রাতে কোনো কারণে ঘুম থেকে উঠলেও ফোন ব্যবহার করে থাকেন। অফিসিয়াল গুরুত্বপূর্ণ মিটিং বা সামাজিক কোনো অনুষ্ঠানে বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী কাজ বা আড্ডার পরিবর্তে স্মার্টফোনে সোশ্যাল সাইট বা ইমেইল চেক করে থাকেন অনেকে। অনেকে তো আবার রাস্তা পার হওয়ার সময় বা টয়লেটে গিয়েও কিছুতেই চোখ সরাতে পারেন না মোবাইলের স্ক্রিন থেকে। এই আসক্তি ব্যবহারকারীদের নানাভাবে ক্ষতি করে। তবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করার মাধ্যমে আমরা খুব সহজেই এই স্মার্টফোন আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে পারি। চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক স্মার্টফোন আসক্তি থেকে মুক্তির কার্যকরী ৫টি উপায়। * অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখুন, বিশেষ প্রয়োজন থাকলে তালিকা আপডেট করে কেবল প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশনই চালু রাখুন। আর তা করতে আপনার আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড চালিত ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে ব্যাজ নামে পরিচিত ডট আইকনটি বন্ধ করে দিন। আপনি অবশ্য চাইলে নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপের নোটিফিকেশন আলাদা আলাদা ভাবেও বন্ধ করতে পারেন। আর ফেসবুকের নোটিফিকেশন বন্ধ করতে চাইলে এর নিজস্ব সেটিংসে যেতে হবে। * সর্বদা ফোনের সংস্পর্শে নয় আপনি যখন বাথরুম যাচ্ছেন বা খাবার খাচ্ছেন সে সময়গুলোতে আপনার স্মার্টফোনটি আপনার কাছ থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এমনকি প্রতি শনিবার এটি বন্ধ রাখার চেষ্টাও করতে পারেন। ফোনের সংস্পর্শে না থাকাটা আপনার মস্তিষ্ককে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে। * সময় নির্ধারণ করুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আমাদের প্রাত্যহিক সময়ের অনেকটুকুই কেড়ে নেয়। এক্ষেত্রে ফেসবুক বা ই-মেইলে বা যেকোনো মাধ্যমের তাৎক্ষণিক বার্তা পড়ার জন্য দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্ধ করে রাখুন। তারপর দৃঢ প্রতিজ্ঞ থাকুন ওই নির্ধারিত সময়ের বাহিরে আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে কোনো চেক ইন এবং স্ক্রোলিং করবেন না। এর পাশাপাশি, আপনার ফোনের ফেসবুক অ্যাপটি মুছে ফেলার চেষ্টা করুন এবং শুধুমাত্র একটি কম্পিউটার থেকে ফেসবুক ব্যবহার করুন। * অটোপ্লে বন্ধ রাখুন ইউটিউব এবং নেটফ্লিক্স এর মতো পরিসেবাগুলো প্রায়ই একটি ভিডিও দেখার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী ভিডিওটি প্রদর্শন করে। এতে করে অনেক সময়ই বিব্রতকর পরিস্থিতে পড়তে হয় এবং কাজেও ব্যাঘাত ঘটে। তাই আপনার স্মার্টফোনে এ সমস্ত সাইটের অটোপ্লে অপশনটি বন্ধ রাখুন। সেটিংসে গিয়ে অতি সহজেই এই অটোপ্লে বন্ধ করা যায়। *  অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন হিউম্যান টেকনোলজি সেন্টার নামের একটি সংস্থার তথ্যানুযায়ী বিছানাতে কখনই স্মার্টফোন রাখা উচিত নয়। কারণ স্মার্টফোন নিরবিচ্ছিন্ন ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। কারণ ফোন থেকে যে নীল আলো বের হয় তা আমাদের শরীরের মেলাটোনিন অবমুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। অথচ এই মেলাটোনিন রাতে ঘুমাতে সাহায্য করে। সুতরাং, রাতে ঘুমানোর সময় আপনার ফোনটি বিছানা থেকে একটু বেশিই দূরে রাখুন। এবং অ্যালার্ম দেয়ার প্রয়োজন হলে আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করুন।

সাহিত্য

সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ারের ইন্তেকাল

স্টাফ | আপডেট: ১৭:১৬, আগস্ট ১৩ , ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক সমকাল পত্রিকার সম্পাদক গোলাম সারওয়ার ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন বিশিষ্ট এই সাংবাদিক।  এর আগে সোমবার বিকেল ৫টায় সমকাল সম্পাদকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। এর আগে, উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৩ আগস্ট মধ্যরাতে গোলাম সারওয়ারকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। পরদিন সকালে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসার পর তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতিও হয়েছিল। নিউমোনিয়া সংক্রমণ হ্রাসের পাশাপাশি ফুসফুসে জমে থাকা পানিও কমে গিয়েছিল। হার্টও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল। কিন্তু রোববার হঠাৎ করে তার রক্তচাপ কমে যায়। কিডনিও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল না। এ অবস্থায় সোমবার বিকেলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। এর আগে গত ২৯ জুলাই মধ্যরাতে দেশবরেণ্য সাংবাদিক, সম্পাদক পরিষদের সভাপতি গোলাম সারওয়ার রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন।

ফিচার

সময় ফুরিয়ে আসছে ইরফানের

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ১৭:৪৪, আগস্ট ০৫ , ২০১৮

বিরল রোগ নিউরো এন্ড্রোক্রাইন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলি-বলির মেধাবী অভিনেতা ইরফান খানের সময় ফুরিয়ে আসছে। এ তথ্য এক সংবাদ সংস্থার সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন তিনি। এক সংবাদ সংস্থার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানান, তৃতীয় কেমোথেরাপির রিপোর্ট ইতিবাচক হয়েছে। কিন্তু মনের জোর কমে গেছে ইরফান খানের। সূত্র: এনডিটিভি সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে ইরফান জানিয়েছেন, ‘আমার চতুর্থ কেমো চলছে। মোট ছয়টি কেমো দিতে হবে। এরপর একটা স্ক্যান হবে। থার্ড সার্কেলের পর স্ক্যান করা হয়েছিল। সেটা ইতিবাচক। কিন্তু এখনো আমাদের ষষ্ঠ স্ক্যান পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এটা আমাকে কোথায় নিয়ে যায় সেই অপেক্ষায় আছি। আমার মস্তিষ্ক সবসময় বলছে, আমার এই রোগ হয়েছে। আর কিছু মাস বা বছরের মধ্যেই আমি মরে যেতে পারি।’ জীবনের এই কঠোর বাস্তবের মুখোমুখি হওয়ার ফলে ইরফানের মধ্যে যে পরিবর্তন এসেছে তা কেবল শারীরিকই নয়, মানসিক ও আধ্যাত্মিকও। তিনি এমন কথাও বলেছেন যে, তিনি জীবনকে দেখছেন অন্যভাবে। শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমে ইরফান বলেন, ‘জীবন অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। জীবন যেভাবে দেখাচ্ছে, সেভাবেই দেখছি। শারীরিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক- সব দিক থেকে।’ ইরফান আরও বলেন, ‘জীবনের কোনো গ্যারান্টি নেই। আমার মন যেন সব সময় কানের কাছে ফিসফিস করে বলছে, তোমার এই রোগ হয়েছে। যে কোনো সময় মৃত্যু হবে।’ বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন লন্ডনে। তার অনুপস্থিতিতেই গতকাল মুক্তি পেল তার অভিনীত ‘কারওয়া’ সিনেমাটি।

বিশ্বকাপ জয়ের উত্সবে বর্ণিল বার্লিন নগর
মিরোস্লাভ ক্লোসার হাতে মাইক্রোফোন। তাঁর নেতৃত্বে আনন্দ-সংগীত পরিবেশনরত অন্য জার্মান ফুটবলাররা।
রকমারি

হলুদ সাংবাদিকতা আতঙ্কের হলেও এর পেছনে...

স্টাফ | আপডেট: ১৫:৪০, আগস্ট ১৬ , ২০১৮

হলুদ সাংবাদিকতা’ শব্দটি আতঙ্কের হলেও এর পেছনে রয়েছে মজার এক ইতিহাস। সোনায় যেমন খাদ থাকে, তেমনি সাংবাদিকতা পেশাতেও আছে অপসাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়, এতে রয়েছে আবেগ, আদর্শ ও দেশপ্রেমের সম্ভার। সাংবাদিকতায় ইয়েলো জার্নালিজম বা হলুদ সাংবাদিকতা শব্দটি এসেছে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে। দুই ভুবন বিখ্যাত সাংবাদিক জোসেফ পুলিৎজার ও উইলিয়াম হার্স্টের এক অশুভ প্রতিযোগিতার ফসল আজকের এই ‘হলুদ সাংবাদিকতা’। আমাদের দেশে হলুদ সাংবাদিকের ডালপালা বিস্তার করেছে অনেক। বিকৃত সংবাদ পরিবেশনের চেয়ে বিকল্প উপায়ে অর্থ উপার্জনই এখন হলুদ সাংবাদিকতার মূখ্য উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছু কিছু সংবাদপত্রের মালিক কিংবা সম্পাদক এই হলুদ শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষক। তারা হলুদদের দ্বারা নিজেরাও যেমন উপকৃত হচ্ছেন তথাকথিত হলুদদেরও অবৈধভাবে টাকা কামানোর রাস্তা করে দিচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে প্রকৃত সাংবাদিকদের চেয়ে হলুদ সাংবাকিদকরা অনেক বেশি প্রভাবশালী। সমাজে তারা দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করছেন। প্রশাসন তাদের ঘাটাতে চায় না। এই হলুদ শ্রেণীর প্রভাবে প্রকৃত সংবাদ প্রেমী মানুষ কোনঠাসা হয়ে পড়ছে। বর্তমান সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে দেখা যায় অধিকাংশ পেশা নৈতিক অবক্ষয়ের ব্যাধিত জর্জরিত। যেখানে (সাংবাদিকতা) একটি মাত্র সৎ পেশা হিসেবে টিকে থাকা কষ্টকর। আগে সাংবাদিকতায় নিয়োগ দেয়া হতো যোগ্যতার ভিত্তিতে। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ সাংবাদিক নিয়োগ পান সম্পাদকদের বিভিন্নভাবে ম্যানেজ করে। অনেক সাংবাদিক রয়েছে কোনো রকমে একটি সাংবাদিকতার কার্ড জোগার করতে পারলে নেমে পড়ে অবৈধ আয়ের উৎসবের সন্ধানে। যারা সৎ এবং নির্ভীক সাংবাদিক তারা পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। যে সাংবাদিক অসাধু পন্থায় সংবাদপত্রে এসেছে তার কাছ থেকে সাধুতা অর্থাৎ সত্য সংবাদ পরিবেশন আশা করা যায় না। যেহেতু তার শুরুটা হয়েছিল অসাধুতা দিয়ে। এভাবেই হলুদ সাংবাদিকতা গ্রাস করছে সংবাদপত্র শিল্পকে। অনেক সময় দেখা যায় একজন সাংবাদিক সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করল কিন্তু সংবাদটি সম্পাদকের স্বার্থের পরিপন্থি হওয়াতে পত্রিকায় ছাপল না। তখন সাংবাদিক বাধ্য হয়ে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকে। অসৎ সাংবাদিকদের পাশাপাশি কিছু কিছু সংবাদপত্রের মালিকও বিভিন্ন মহলে চাপ সৃষ্টি করে সুবিধা আদায় করে। তখন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন হয় বাধাগ্রস্ত। হলুদ সাংবাদিকতা প্রকট হয়। হলুদ সাংবাদিকতা থেকে উত্তরণের পথ হচ্ছে সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নে এবং সাংবাদিকদের নিজেদের মধ্যে পেশাগত ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সবাইকে একমত হতে হবে এবং হলুদ সাংবাদিকদের চিহ্নিত করে তবে তাদের সাংবাদিক সমাজ থেকে পরিহার করা।