সর্বশেষ

মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল আসাদ রানার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুর্গাপূজার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন শেষে ফিরে আসার পথে মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আসাদ রানা নামের এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার নুরপুর এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পুলিশ কনস্টেবল আসাদ রানা চুয়াডাঙ্গা জেলার.....

বিদ্যুতের উৎপাদন ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘আগামী পাঁচ বছর সরকারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে দারিদ্র্যতার হার.....

রাজবাড়ীতে ট্রেনের সঙ্গে ভটভটির সংঘর্ষে নিহত ৩

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ট্রেনের সঙ্গে ইঞ্জিনচালিত ভটভটি গাড়ির সংঘর্ষে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে.....

মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু

অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কেঁটেছে রুপালি গিটারের কিংবদন্তী আইয়ুব বাচ্চুর জীবন। নিজের গানের কথা দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয় নাড়িয়ে দেওয়া এই.....

আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম জানাজায় মানুষের ঢল

কিংবদন্তি ব্যান্ড সংগীত শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর প্রথম জানাজা জাতীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জুমার নামাজের পর আইয়ুব বাচ্চুর জানাজা.....

ময়মনসিংহে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত : ৪ ঘণ্টা চলাচল বন্ধ

ময়মনসিংহ জংশন রেলস্টেশনের অদূরে বলাশপুরে শুক্রবার ভোরে ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার তিনটি রেলপথে চার.....

পাকিস্তানের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ অস্ট্রেলিয়ার

আবুধাবিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে একদিন বাকি থাকতেই জয় তুলে নিল পাকিস্তান। আর প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ.....

যাদের ভয়ে আতংকিত ইসরাইলী সৈন্যরা

১৬ বছরের ফিলিস্তিনি কিশোরী আহেদ তামিমি। গত বছর তার বাড়ির সামনে ইসরায়েলি এক সৈন্যের গালে সপাটে চড় বসিয়ে দেন। এরপর গ্রেফতার হন.....

মিয়ানমারের নৃশংসতা : প্রতিবেদনের ওপর শুনানি করবে জাতিসঙ্ঘ

জাতিসয্ঘ নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমারের নৃশংসতা বিষয়ে সংস্থাটির তদন্ত দলের প্রধানের তৈরী করা প্রতিবেদনের ওপর আগামী সপ্তাহে শুনানি.....

চীন বা রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ হবে যুক্তরাষ্ট্রের

আগামী বছর চীন বা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধ হবে বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় অর্ধেক সেনা সদস্য। সামরিকবিষয়ক.....

​শার্শায় অস্ত্র-গুলিসহ যুবক আটক

আরিফুজ্জামান আরিফ, শার্শায় একটি ওয়ান শুটার গান ও ১ রাউন্ড গুলি সহ রনি হোসেন (৩০) নামে এক যুবককে  আটক করেছে শার্শা থানা পুলিশ।  রনি.....

  • সর্বশেষ
  • সর্বশেষ পঠিত

অবশেষে রানার বিরুদ্ধে আদালতে দুদকের চার্জশিট দাখিল

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বাধা দিলে পাল্টা জবাব- খালেদা

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

'নক্ষত্র'-এ ই-শপিং

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বিশ্বের শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই ঢাবি

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

জাতীয়

বিদ্যুতের উৎপাদন ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে:...

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ১১:৫৪, অক্টোবর ১৯ , ২০১৮

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘আগামী পাঁচ বছর সরকারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে দারিদ্র্যতার হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’

তিনি বলেন, ‘১৯৯১ সালে দেশে দারিদ্র্যতার হার ছিল ৫৮ শতাংশ। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে এখন তা কমে ২২ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে।’

শুক্রবার সকালে সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ মাঠে ‘একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্প’, ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের সুবিধাভোগীদের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে তিনি সদর উপজেলার ৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৭টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘১০ শতাংশ যারা দরিদ্র থাকবেন তাদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধী, বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী, বিধবাসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ। যাদের সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। উন্নত দেশগুলোতে এ রকম ব্যবস্থা রয়েছে।’

মুহিত বলেন, ‘বাংলাদেশে এখন ঝুপড়ি নেই। আলোর ঝলমলের দেশ। বাংলাদেশ যতটুকু উজ্জ্বল হয়েছে সেটাকে অন্ধকার করা যাবে না।’

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের শুরু থেকেই বিদ্যুৎ নিয়ে অনেক বেশি চিন্তাভাবনা ছিল। এটা নিয়ে সরকার বেশি কাজ করেছে। আমরা শতভাগ সফল হয়েছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের উৎপাদন ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সারা দেশে এখন বিদ্যুতের সংকট নেই। পুরো দেশ বিদ্যুতের আলোয় ঝলমল করছে। মানুষের জীবনমান এখন উন্নয়ন হয়েছে। ফলে উৎপাদনও বেড়েছে।

তিনি বলেন, সর্বত্র মানুষের মঙ্গলের সুযোগ করে দিতে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করছে। বিগত ১০ বছরে শেখ হাসিনা ঘোষিত সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অনেকাংশে পূরণ হয়েছে। অবশিষ্ট কাজগুলো পূরণ করতে এবং সরকারের উন্নয়ন ও জনবান্ধব উদ্যোগকে আরো ত্বরান্বিত করতে জনগণের ঐক্য ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজাম মুনিরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আব্দুল মোমেন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প পরিচালক ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকবর হোসেন, সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ বক্তব্য রাখেন।

অর্থনীতি

ডিমের উৎপাদন ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে

ডিমের উৎপাদন ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। তবে উৎপাদন বাড়াতে ইতোমধ্যেই তারা উদ্যোগও নিয়েছেন। বিশ্ব ডিম দিবসের আলোচনায় বক্তারা এ তথ্য জানান।
 
গতকাল শুক্রবার সিরডাপ মিলনায়তনে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) যৌথভাবে এ আলোচনার আয়োজন করে। আলোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক।
 
সভায় বিপিআইসিসি’র সভাপতি মসিউর রহমান বলেন, বিগত প্রায় এক বছর ডিমের দাম না পেয়ে অনেকেই খামার বন্ধ করে দিয়েছেন। এইচ৯এন১ ভাইরাসের সংক্রমণে ডিমের উৎপাদন কমে গেছে। সার্বিক বিচারে ডিমের উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে উদ্যোক্তারা উত্পাদন বাড়াতে ইতোমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি বলেন, চাল, চিনি, দুধ, আটা এমনকি লবণের বিজ্ঞাপনও গণমাধ্যমে প্রচারিত হয় কিন্তু সাধারণত ডিমের কোন বিজ্ঞাপন দেখা যায় না আমাদের দেশে। ডিম বিক্রি থেকে যে লাভ পাওয়া যায় তা দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচারের খরচ বহন করা সম্ভব হয় না। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চারা যেন সপ্তাহে অন্তত দু’টি ডিম খায় সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকারিভাবে উদ্যোগ নিতে হবে।
 
ডাঃ হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশনের আদলে বাংলাদেশেও একটি এগ কমিশন গঠনের প্রস্তাব দেন। নকল ডিম উৎপাদন বিষয়ে বলেন, নকল ডিম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন সম্ভব নয়।
 
ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ শাখার সভাপতি শামসুল আরেফিন খালেদ বলেন, ডিমের চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে।
 
বিপিআইসিসি’র হিসাব মতে, দেশে বর্তমানে ডিমের বাণিজ্যিক উত্পাদন দৈনিক প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ডিম উত্পাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬৬৫ কোটি পিস। এর মধ্যে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর -এই তিন মাসে ডিমের মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৩৩ কোটি পিস। প্রতিটি ডিমের গড় মূল্য ৭ টাকা ধরা হলে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রায় ৮ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রায় ১০ হাজার ৪৫২ কোটি টাকার ডিম কেন্দ্রিক বাণিজ্য হয়েছে। চলতি অর্থবছরে প্রায় ১১ হাজার ৬৫৫ কোটি টাকারও অধিক ডিম কেন্দ্রিক বাণিজ্য হবে বলে আশা করা যায়।
 
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী এবং বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন নাহার নাহিদ বলেন, ডিম নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত আছে কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান বলছে ডিম হার্টের জন্য উপকারী, ডিম খেয়ে ওজন কমানো যায়, ব্রেন ডেভেলপমেন্ট এবং হাড় মজবুত করতে ডিম অত্যন্ত কার্যকর। ডায়াবেটিসের রোগীরাও ডিম খেতে পারবেন। অনেকে ডিমের কুসুম না খেয়ে সাদা অংশ খান এতে তারা ডিমের পরিপূর্ণ পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
 
এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয় যা পল্টন মোড় ঘুরে সিরডাপ মিলনায়তনে এসে শেষ হয়। গতকাল সারাদিন ঘুরে ঘুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে, কারওয়ান বাজার, মিরপুর এবং ধানমন্ডিস্থ রবীন্দ্র সরোবর এলাকায় শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ৩০ হাজার সিদ্ধ ডিম বিতরণ করা হয়। এস.ও.এস শিশু পল্লী, স্যার সলিমুল্লাহ এতিমখানা, ঢাকা অরফানেজ সোসাইটি’র শিশুদের জন্য এবং প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সদস্যদের জন্য বিনামূল্যে ১৫ হাজার ডিম দেওয়া হয়েছে।

রাজনীতি

বিনা খেলায় গোল দিতে চাই না: নাসিম

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ১০:৪৪, অক্টোবর ১০ , ২০১৮

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, 'সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। দুনিয়ার কোনো শক্তি নেই নির্বাচন ঠেকানোর। এবার বিনা খেলায় গোল দিতে চাই না। বিএনপি-জামায়াতকে বলব, চক্রান্ত বন্ধ করুন। খেলতে হবে মাঠে।'

মঙ্গলবার রাজশাহীর সাহেববাজার বড় রাস্তায় ১৪ দলের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহী নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এতে সভাপতিত্ব করেন। 

১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম আরও বলেন, '১০ বছর ক্ষমতায় আছি, ভুল হতে পারে। শেখ হাসিনা মন্ত্রী-এমপি কাউকেই ক্ষমা করেন না। আমাদের ভেতরে কোনো বিরোধ নেই। শেখ হাসিনা যাকে নৌকা দেবেন, তার পক্ষেই কাজ করতে হবে।'

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, 'শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের অগ্রযাত্রার মহাসড়কে উঠে গেছে। সে ধারা রক্ষা করতে হবে। তার জন্য নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিতে হবে।'

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, 'বিএনপি-যুক্তফ্রন্ট, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া করে তারা নাকি আন্দোলন করবে। তাদের মতো করে নির্বাচন করতে চায়।'

সমাবেশে ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, সাম্যবাদী দলের নেতা দিলীপ বড়ূয়া, জাতীয় পার্টির (মঞ্জু) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাসদ সভাপতি শরিফ নূরুল আম্বিয়া, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, আবদুর রহমান এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি বক্তব্য দেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংসদ শাহরিয়ার আলম, সাংসদ কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারা, সাংসদ আয়েন উদ্দীন, সাংসদ এনামুল হক, সাংসদ আক্তার জাহান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুন নেছা তালুকদার প্রমুখ।

১৪ দলের সমাবেশ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল থেকেই শহরের ব্যস্ততম সাহেববাজার-তালাইমারী সড়ক বন্ধ করে মঞ্চ করা হয়। এতে মানুষের চরম ভোগান্তি হয়।

সারাদেশ

মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কনস্টেবল...

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুর্গাপূজার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন শেষে ফিরে আসার পথে মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আসাদ রানা নামের এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার নুরপুর এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পুলিশ কনস্টেবল আসাদ রানা চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের মৃত আলী আহমেদ মাস্টারের ছেলে। সে মেহেরপুর কোর্টে কর্মরত ছিল।  মেহেরপুর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক শাহিনুজ্জামান জানান, নুরপুর এলাকায় দুর্গাপূজার দায়িত্ব পালন শেষে ফিরে আসার সময় দুটি মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে মারাত্মক আহত হয় আসাদ রানা। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। রাজশাহী যাওয়ার পথে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর এলাকায় মারা যায় সে।  মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) মুস্তাফিজুর রহমান, এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

খেলাধুলা

বিশ্বকাপ ট্রফি দেখতে যমুনা ফিউচার...

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ০৯:১৪, অক্টোবর ১৮ , ২০১৮

বিশ্ব পরিভ্রমণে বের হয়েছে আইসিসি-২০১৯ ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপ ট্রফি। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে এসেছে এটি। ট্রফিটি এখন রাখা হয়েছে রাজধানী ঢাকার অত্যাধুনিক শপিংমল যমুনা ফিউচার পার্কের সেন্টার কোর্টে। সেটি একনজর দেখতে সেখানে নেমেছে দর্শনার্থীর ঢল।

আগেই জানা ছিল, এদিন এশিয়ার সর্ববৃহৎ ও সর্বাধুনিক শপিংমলটিতে প্রদর্শিত হবে বিশ্বকাপ ট্রফি। প্রদর্শন শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল বেলা ১১টা। এর আগেই সেখানে ভিড় জমান ক্রিকেট অনুরাগীরা। শুরুতে আগত দর্শনার্থীদের সামলাতে হিমশিম খেতে হয় নিরাপত্তাকর্মীদের। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। এখন সুশৃঙ্খল-মনোরম পরিবেশে তা দেখা যাচ্ছে।

যমুনা ফিউচার পার্কে এখন বিরাজ করছে উৎসব আমেজ। সাধের সোনালি ট্রফি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন আবালবৃদ্ধবনিতা সবাই। অনেকে একা দেখে যাচ্ছেন। জুটি বেঁধে আসছেন তরুণ-তরুণীরা। অনেকে পরিবার নিয়েও জমায়েত হচ্ছেন। সবাই যেন হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এককথায়- নবজাতক থেকে ৮০ বছরের বৃদ্ধও এর দর্শক।

বিশ্বকাপ ট্রফি মাঠে গড়াতে এখনও আট মাস বাকি। এর আগভাগে সোনার ট্রফি দেখে অনেকে আশায় বুক বাঁধছেন, আবার অনেকে হতাশ হচ্ছেন। অনেককে দীর্ঘশ্বাসও ফেলতে দেখা গেছে। তবে স্বপ্ন দেখার হারই বেশি।

রাজধানীর বাড্ডা থেকে সপরিবারে আসা রাজু আহমেদ বলেন, আমরা ক্রিকেটে এখন অন্যতম পরাশক্তি। কোনো দলকেই আর ভয় পাই না। আমাদের আছে মাশরাফির মতো নেতা, সাকিব আল হাসানের মতো বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার, তামিম ইকবালের মতো হার্ডহিটার ওপেনার, মোস্তাফিজুর রহমানের মতো কাটার মাস্টার। নিজেদের দিনে তারা সব প্রতিপক্ষের ত্রাস। অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ ট্রফিও আমাদের হাতে উঠবে; সেটি হতে পারে ২০১৯ বিশ্বকাপও।

তবে হতাশ ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী আবরার সিহাম, আমরা গেল কয়েক বছর ধরে এশিয়া কাপের ফাইনাল খেলছি। বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালেও উঠছি। তবে একটুর জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে শেষ মুহূর্তে নাটকীয় পরাজয় আর সহ্য হচ্ছে না। এ গেরো খুলতে হবে।

যমুনা ফিউচার পার্কে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে বুধবার সকালে বাংলাদেশে আসে সেটি। প্রথম দিন ট্রফিটি রাখা হয় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি একাডেমির সামনে। দুপুরে তার সঙ্গে ছবি তুলেন জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা।

বৃহস্পতিবার যমুনা ফিউচার পার্কে প্রদর্শনী শেষে বিশ্বকাপ ট্রফি চলে যাবে সিলেটে। শুক্রবার দিনভর সেখানেও সর্বসাধারণের জন্য এটি উন্মুক্ত থাকবে। পর দিন শনিবার ট্রফি যাবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।

সব মিলিয়ে চার দিনের বাংলাদেশ সফর শেষে বিশ্বকাপ ট্রফি যাবে নেপালে। গেল ২৭ আগস্ট দুবাইয়ে আইসিসির সদর দফতর থেকে বিশ্ব পরিভ্রমণে বের হয় ট্রফিটি। ৯ মাসে পাঁচ মহাদেশ, ২১ দেশ ও ৬০টির বেশি শহরে ঘুরে বেড়াবে সেটি।

আগামী বছরের ৩০ মে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে পর্দা উঠবে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসরের। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই সেখানে পৌঁছে যাবে ট্রফিটি। ১৪ জুলাই ফাইনালি লড়াইয়ে জয়ী দলের হাতে উঠবে সেটি।

বিনোদন

মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন আইয়ুব...

অনেক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কেঁটেছে রুপালি গিটারের কিংবদন্তী আইয়ুব বাচ্চুর জীবন। নিজের গানের কথা দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয় নাড়িয়ে দেওয়া এই শিল্পী চলে গেলেন বড্ড অকালে। 

আইয়ুব বাচ্চুর জন্ম চট্টগ্রামে ১৯৬২ সালে। রক সংগীতকে যখন জীবনের ধ্যান-জ্ঞান হিসেবে গ্রহণ করেন তখন তার বয়স মাত্র ১৬ বছর। ঢাকায় এসে খ্যাতির চূড়ায় আরোহণ করলেও জীবনের নানা চড়াই পার হতে হয়েছে তাকে। বিভিন্ন সময় সাক্ষাৎকারে ‘এবি’ হয়ে ওঠার গল্প বলেছেন তিনি।

২০১৬ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমার সন্তানেরা ছোটবেলা থেকে আমার মুখে একটা গল্প শুনে অভ্যস্ত। এই ঢাকা শহরে ১৯৮৩ সালের শেষের দিকে মাত্র ৬০০ টাকা নিয়ে এসেছিলাম। উঠেছিলাম এলিফ্যান্ট রোডের একটি হোটেলে।

ঢাকা শহরে আমি যখন ৬০০ টাকা নিয়ে আসি, তখন এখানে আমার অনেক আত্মীয়স্বজন থাকতেন। আমি কারও কাছেই যাইনি। বিপদে কারও মুখাপেক্ষীও হইনি। নিজেকে গড়ে তুলেছি। কাজে হাত দিয়েছি। কাজের পর কাজ করেছি। এখনো করেই যাচ্ছি। দিনরাত্রি কাজ করে একটা অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছি।

আমার কাছে ওই ৬০০ টাকা ছিল ৬ কোটি টাকার মতোই। সামনে অনেক পথ খোলা ছিল। সবকিছু পাশ কাটিয়ে গেছি। চলার পথে এমন কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় ছিল, যাদের নাম শুনলে আতঙ্কিত হতে হতো। শুধু তা-ই নয়, আমার পরিচিত অনেকে মাদকসেবনও করত। চাইলে আমিও হয়তো বখে যেতে পারতাম। কিন্তু মিউজিকই ছিল আমার ধ্যানজ্ঞান। আমি সেই লক্ষ্যে ছুটে গেছি।

১০ বছর লেগেছে আমার সেই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে। এই ১০ বছরে আমি ভেসে যেতে পারতাম। হয়তো আমার কোনো পাত্তাই পাওয়া যেত না। কিন্তু আমি ভাসিনি। আশপাশে নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে দেখা হয়েছে। অনেক ধরনের লাইফস্টাইলের সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলাম। কিন্তু যে লাইফস্টাইল আমার পরিচিত না, যেটার সঙ্গে আমার পরিবার একমত না—এ ধরনের লাইফস্টাইল থেকে নিজেকে সংবরণ করেছি। কারণ, আমার মা কষ্ট পেলে দেশ কষ্ট পাবে। আত্মীয়স্বজনেরা মন ছোট করবেন। দেশ কষ্ট পেলে দুনিয়া কষ্ট পাবে। এ জন্যই নিজেকে সংবরণ করেছি। আমি বলতে চাই, লোভ সংবরণ করা খুব দরকার।

এ বছরের ১৬ আগস্ট নিজের শেষ জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু। তার ঠিক এক বছর আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জীবন-মৃত্যু নিয়ে নিজের উপলব্ধির কথা বলেছিলেন।

‘চোখ মেললেই জীবন। চোখ বন্ধ করলেই আর জীবন নেই। জীবনের রংটাই এরকম। আমাদের সবার ক্ষেত্রে বিষয়টি একইরকম। জীবন সে তো তার মতো করেই চলবে। কাউকে বলে কয়ে চলবে না। আমরা কেউ জানি না ঠিক পর মুহূর্তে কী হতে যাচ্ছে।’

যে মানুষটি চিরদিন ব্যক্তিগত খ্যাতি বা চাওয়া পাওয়ার ঊর্ধ্বে থেকে পারিবারিক মূল্যবোধ আঁকড়ে ধরে জীবন যাপন করেছেন, সব সময় দেশের কথা বলতেন সেদিন জন্মদিন হলেও মৃত্যুর ভাবনাটাই যেন আচ্ছন্ন করে রেখেছিল তাকে। অনুপ্রেরণার কথা জিজ্ঞাসা করতেই বলেছিলেন, ‘আগের মতো এখন অনেক কিছুই আমাকে আর অনুপ্রাণিত করে না।

এখন বেঁচে থাকাটা আমার ভক্ত-শ্রোতাদের জন্য, যারা আমাকে ভালোবাসেন। যারা আমার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা বৃষ্টিতে ভেজেন। যারা প্রচণ্ড রোদে পুড়ে আমার জন্যে অপেক্ষা করেন। যারা আমার প্রতি স্নেহ-মমতা প্রকাশ করেন। এখন নতুন কোন স্বপ্ন দেখি না যার জন্য আমাকে বেঁচে থাকতেই হবে।’

আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ...

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ১১:২২, অক্টোবর ১৯ , ২০১৮

আবুধাবিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে একদিন বাকি থাকতেই জয় তুলে নিল পাকিস্তান। আর প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছেন মোহাম্মদ আব্বাস। সাথে ছিলেন বিলাল আসিফ।

ম্যাচের তৃতীয় দিনে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে এক উইকেট হারিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু চতুর্থ দিনটি ছিল তাদের জন্য বড়ই বিপদের। ৯টি উইকেটের বিনিময়ে তারা সংগ্রহ করতে পেরেছে মাত্র ১১৭ রান। মোট সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৪ রান।

পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ আব্বাস একাই নিয়েছেন ৫টি উইকেট। এছাড়া বিলাল আসিফ ৩টি ও ইয়াসির শাহ নিয়েছেন ২টি উইকেট।

এর আগে পাকিস্তান তাদের দুই ইনিংসে করেছে যথাক্রমে ২৮২ ও ৪০০ রান। অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রথম ইনিংসে করে ১৪৫ রান।

ফলে ৩৩৭ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় পাকিস্তান।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেছেন আরন ফিন্স। এছাড়া বড় স্কোরের মধ্যে ছিল মিশেল স্টার্কের ৩৪।

টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে এক উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান তুলে অস্ট্রেলিয়া। ৫৩৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে দলীয় ১০ রানেই প্রথম উইকেট হারায় অসিরা। ওসমান খাজার পরিবর্তে ইনিংস ওপেন করতে নামা শন মার্শকে বোল্ড করেন পাকিস্তানি পেসার মির হামজা। পাকিস্তানের ইনিংসের সময় ফিল্ডিং না করায় ইনিংসের শুরুতে ব্যাট করতে নামতে পারেননি ওসমান খাজা।

নিয়ম অনুযায়ী প্রতিপক্ষ দলের ইনিংসে কোন খেলোয়াড় ফিল্ডিং না করে যত ওভার মাঠের বাইরে থাকবে, নিজ দলীয় ইনিংসে ঠিক তত ওভার পর তাকে ব্যাট করতে নামতে হবে।

মোট ১২ ওভার ব্যাটিং করে শেষ পর্যন্ত আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি অ্যারন ফিঞ্জ ও ট্রেভিস হেড। দিন শেষে ফিঞ্চ অপরাজিত আছেন ব্যক্তিগত ২৪ রানে আর হেড ১৭ রানে।

এই টেস্ট জিততে হলে অস্ট্রেলিয়াকে করতে হবে ৫৩৮ রান। আর ড্র করতে হবে ক্রিজে কাটাতে হবে আরো ছয় সেশন বা ১৮০ ওভার। আর পাকিস্তানকে তুলে নিতে হবে বাকি ৯টি উইকেট। হাতে আছে পুরো দুটি দিন। ফলে এই টেস্টে পাকিস্তান পুরোপুরিই চালকের আসনে।

পাকিস্তানের ইনিংস
বৃহস্পতিবার টেস্টের তৃতীয় দিন মধ্যাহ্ন বিরতির পর থেকেই দর্শক আর টিভি ভাষ্যকরাদের প্রশ্ন- কখন ইনিংস ঘোষণা করবেন পাকিস্তান অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। কিন্তু চা বিরতির সময়ও সেই ঘোষণা এলো না, যখন এলো ততক্ষণে বিশাল রানের পাহাড়ের নিচে চাপা পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। দিনের খেলা ১৪ ওভার বাকি থাকতে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৪০০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। ফলে অস্ট্রেলিয়ার সামনে জয়ের টার্গেট দাড়িয়েছে ৫৩৮ রানের। ক্রিকেটে যাকে ‘অসম্ভব’ টার্গেট হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। দ্বিতীয় ইনিংসে এই টার্গেট তাড়া করা অথবা পুরো দুই দিন ক্রিজে কাটিয়ে ম্যাচ ড্র করা দুটোই কার্যত কঠিন অস্ট্রেলিয়ার জন্য।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের পরই এই টেস্টে কী হতে চলেছে তা অনেকটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। পাকিস্তানের ২৮২ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে যায় ১৪৫ রানে। ১৩৭ রানের লিড পায় পাকিস্তান। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা তাই দলকে নিয়ে যান আরো উচ্চতায়।

দ্বিতীয় উইকেটে আজহার আলী ও ফখর জামানের ৯০ রানের জুটির পরও তৃতীয় দিনের শুরুতে কিছুটা নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ। সাজঘরে ফিরে গেছেন সকালে ব্যাট হাতে নামা দুই ব্যাটসম্যান। ফখর জামান ৬৬ ও আজহার আলী ৬৪ রান করেন। ১৬০ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় সরফরাজ আহমেদের দল। তবে পঞ্চম উইকেটে আসাদ শফিক ও বাবর আজমের ৭৫ রানের জুটি দলে বড় সংগ্রহের আভাস দেয়। আসাদ শফিকের বিদায়ের পর বাবর আজমের সাথে জুটি গড়েন সরফরাজ। এই জুটিতে পাকিস্তান পায় ১৩৩ রান। এই জুটির কল্যাণেই ধরা ছোয়ার বাইরে চলে যায় পাকিস্তানে রান।

ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে থাকতে বাবর আজম ফিরে যান মিচেল মার্শের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে। আম্পায়ারের সঙ্কেতের বিরুদ্ধে রিভিউ নিয়েছিলেন বাবর, কিন্তু সফল হননি। তাই ক্যারিয়ারের ১৫তম টেস্টে এসেও সেঞ্চুরি পাওয়া হলো না তার। চমৎকার ব্যাটিং করা বাবরের ১৭১ বলের ইনিংসে ছিলো ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা। বাবরকে নিয়ে এই টেস্টে পাকিস্তানের নার্ভাস নাইন্টিসে আউটের ঘটনা তিনটি। প্রথম ইনিংসে ৯৪ রান করে আউট হয়েছিলেন ফখর জামান ও সরফরাজ আহমেদ।

বাবর আজমের আউটের পরও লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের নিয়ে ব্যাটিং চালিয়ে যান সরফরাজ আহমেদ। কিন্তু ব্যক্তিগত ৮১ রানে তিনিও আউট হয়ে যান মারনুস লেবুশেনের বলে। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের দলীয় সংগ্রহ তখন ৪০০ রান। সরফরাজ আউট হওয়ার এক ওভার পরেই ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান।


শিক্ষা

জেএসসি পরীক্ষা শুরু ১ নভেম্বর

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ০৭:১১, অক্টোবর ১৬ , ২০১৮

আগামী ১ নভেম্বর শুরু হবে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা। এতে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে সিটে বসতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হবে একাধিক প্রশ্ন। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মধ্যেমে প্রশ্ন নির্বাচন করা হবে। তবে পরীক্ষা শুরুর ৫ মিনিট আগে প্রশ্নপত্রের খাম খোলা যাবে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্তভাবে আয়োজন সংক্রান্ত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজন করতে প্রশ্নে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এবার গুজব ছড়িয়ে কেউ পার পাবে না। গুজবের দায়ে অভিভাবকদেরও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

সভায় মোট ১৩টি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এরমধ্যে আছে- পরীক্ষা চলাকালীন শুধু কেন্দ্র সচিব ক্যামেরা ছাড়া মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন। তবে সেই ফোনসহ পরীক্ষার কক্ষে প্রবেশ করা যাবে না। ট্রেজারি বা থানা থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ ও পরিবহন কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা/শিক্ষক/কর্মচারীরা ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না।

প্রশ্নপত্র বহনের কাজে কালো কাচযুক্ত গাড়ি ব্যবহার করা যাবে না। ট্রেজারিতে রক্ষিত প্রশ্নপত্র পরীক্ষা শুরুর তিনদিন আগে দিনভিত্তিক ও সেটভিত্তিক ভাগ করে সিকিউরিটি খামে সংরক্ষণ করতে হবে। জেলার ক্ষেত্রে ট্রেজারি এবং উপজেলার ক্ষেত্রে উপজেলার থানা লকারে প্রশ্নপত্রের ট্রাংক সংরক্ষণ করতে হবে। পরীক্ষার দিন সিকিউরিটি খামে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র প্যাকেটের সব সেট ট্রেজারি/থানা হতে ট্যাগ কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে কেন্দ্রে পৌঁছাতে হবে।

পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে সংশ্লিষ্ট বোর্ড থেকে সেট ব্যবহারের নির্দেশনা মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ পাওয়ার পর নির্ধারিত সেটের সিকিউরিটি খাম খুলতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র নেয়ার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর নজরদারি জোরদার করা হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা ডিজিটাল কোনো ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না। প্রতিষ্ঠান প্রধান/শিক্ষকরা কোনোভাবে এ পরীক্ষায় বেআইনি কোনো কাজ করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে পরীক্ষা কেন্দ্র বাতিল করা হতে পারে।

স্বাস্থ্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন...

স্টাফ | আপডেট: ১৭:১৬, আগস্ট ১৩ , ২০১৮

ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু বিশ্বব্যাপী পরিচিত সাধারণ রোগ। কিন্তু এ রোগে বছরে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। অর্থাৎ প্রতিদিন ১৭৮০ জনের মৃত্যু হয়।

এমনকি এটি মাঝে মাঝে মহামারী আকার ধারণ করে। উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের শীত ঋতুতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এ রোগ প্রতিকারের জন্য টিকা জরুরি। বিশেষ করে বৃদ্ধ, শিশু ও গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৮ সালকে আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে বিপর্যয়মূলক জনস্বাস্থ্য সংকটের শততম বার্ষিকী চিহ্নিত করেছে। কারণ ঠিক ১০০ বছর আগে ১৯১৮ সালে পৃথিবীব্যপী ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী আকার ধারণ করেছিল। যা স্প্যানিশ ‘ফ্লু’ নামে পরিচিত। সেই ফ্লুতে ৫০ মিলিয়ন লোকের প্রাণহানি ঘটে। তখন প্রায় ৫শ’ মিলিয়ন লোক আক্রান্ত হয়।

১৯৫৭ সালেও বিশ্বে ফ্লুর মহামারী লক্ষ্য করা গেছে। তখন এক মিলিয়ন মানুষ মারা যায়। ১৯৬৮ সালে আরেকটি ফ্লুর প্রাদুর্ভাব ঘটে। তখন আনুমানিক ১-৩ মিলিয়ন জীবন প্রদীপ নিভে যায়। ২০০৩ সালে (এইচ৫এন১) বা তথাকথিত এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারী আকার ধারণ করে। যা প্রাণী এবং মানুষ উভয়কেই আক্রান্ত করে।

২০০৯ সালে সোয়াইন ফ্লু (এইচ১এন১) বিশ্বে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে। যার শুরু মেক্সিকোতে। এটি ২১৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ৩ লাখ ৯৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, ঘনবসতিপূর্ণ স্থান বা পাবলিক প্লেস ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বিস্তারের জন্য বেশ ইতিবাচক। বিশেষ করে বিমান বা বিমানের মতো স্থানগুলো, যেখানে বেশ কয়েক ঘণ্টা অনেক মানুষ একত্রে অবস্থান করেন। এসব স্থানে খুব সহজেই ইনফ্লুয়েঞ্জা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ক্রমাগত পরিবর্তন হচ্ছে। অপরিহার্যভাবে তারা কখনও পরিবর্তনশীল ছদ্মবেশ ধারণ করে। এর কারণ মানুষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এন্টিবডিকে প্রতিহত করা। যখন একটি নতুন ভাইরাস হিসেবে আবির্ভূত হয়, সেটি দ্রুত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্বব্যাপী মানুষের গুরুতর অসুস্থতার অন্যতম প্রধান কারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা। মাথাব্যথা, নাক ফুলে ওঠা, কাশি হওয়া এবং পেশিব্যথা ইত্যাদি উপসর্গগুলো ঋতুভিত্তিক। ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতি বছর সাড়ে ৬ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটায়।

এ কারণে ইনফ্লুয়েঞ্জা থেকে নিরাপদ থাকতে টিকা গ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একবার উত্তর গোলার্ধের শীতকালে এবং একবার দক্ষিণ গোলার্ধের শীতকালে এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবল ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রোগ্রামের ম্যানেজার ড. ওয়েনকিং ঝাং বলেন, নতুন ভাইরাস দ্বারা কোন ইনফ্লুয়েঞ্জা সৃষ্টি হলে সেটি মহামারী আকার ধারণ করার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

ইনফ্লুয়েঞ্জা সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে কিছু প্রচলিত ধারণা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে এসব ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বাস্তবতার নিরিখে প্রকৃত ঘটনা আলোচনা করা হল- ১. বেশিরভাগ মানুষ মনে করে ইনফ্লুয়েঞ্জা গুরুতর কোনো রোগ নয়, তাই টিকা নেয়ার দরকার নেই। অথচ এ রোগে বছরে সাড়ে ৬ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

২. অনেকেই মনে করেন ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা থেকেও ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ফ্লুর টিকায় একটি নিষ্ক্রিয় ভাইরাস থাকে। তবে সেটি ইনফ্লুয়েঞ্জা সৃষ্টি করতে পারে না। টিকা গ্রহণের পর যদি সামান্য জ্বর হয়, তবে সেটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাধারণ প্রতিক্রিয়া। ৩. অনেকেই মনে করেন ফ্লুর টিকায় গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

কিন্তু এটি প্রমাণিত যে ফ্লুর টিকায় গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত বিরল। ৪. অনেকের ধারণা, টিকা গ্রহণের পরও ফ্লু হয়েছে অর্থাৎ টিকা কাজ করে না। প্রকৃত বিষয় হল, বেশিরভাগ ফ্লু ভাইরাসগুলো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ায় টিকা গ্রহণ সত্ত্বেও ফ্লুতে যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন।

টিকা হচ্ছে ফ্লু থেকে রক্ষা পাওয়ার উন্নত ব্যবস্থা। ৫. অনেকেই মনে করেন গর্ভবতী নারীদের টিকা গ্রহণের দরকার নেই। এ ধারণা ভুল।

আইটি টেক

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা পল অ্যালেন...

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ০৫:৫০, অক্টোবর ১৬ , ২০১৮

মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠা পল অ্যালেন মারা গেছেন।

নন-হজকিন্স লিম্ফোমা নামের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সোমবার তার মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।

পরিবারের দেয়া এক বিবৃতিতে অ্যালেনের বোন জোডি তার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন। খবর রয়টার্স।

খবরে বলা হয়, ২০০৯ সালে একবার এ রোগের চিকিৎসা নিয়েছিলেন অ্যালেন। এর পর মৃত্যুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে তিনি রোগটির আবার ফিরে আসার কথা জানিয়েছিলেন।

তার মৃত্যুতে মাইক্রোসফটের আরেক সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বলেন, আমার অন্যতম পুরনো ও প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুতে ভীষণ আঘাত পেয়েছি আমি, সে না থাকলে পার্সোনাল কম্পিউটিং সম্ভব হতো না।

অ্যালেন ও তার স্কুলজীবনের বন্ধু গেটস হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা ছেড়ে ১৯৭৫ সালে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট গড়ে তুলেন। এই মাইক্রোসফটই পরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার কোম্পানি হয়ে দাঁড়ায়।

সাহিত্য

আশুরার তাৎপর্য ও আমল

বিশেষ প্রতিনিধী | আপডেট: ০৫:২৯, সেপ্টেম্বর ২১ , ২০১৮

মুফতি হেলাল উদ্দীন হাবিবী: মহান আল্লাহর বাণী ‘আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা বারো, এর মধ্যে চারটি মাস অতি সম্মানিত। ’ সূরা তওবা : ৩৬। আশুরা অর্থ দশম। রব্বুল আলামিন যে চারটি মাসকে ‘আশহুরে হুরুম’ তথা অতি সম্মানিত বলে ঘোষণা করেছেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো মহররম; যা হিজরি বর্ষের প্রথম মাস। আর এ মাসের ১০ তারিখের দিনটিকে আশুরা দিবস বলা হয়। সহি হাদিসসূত্রে স্বীকৃত, এই দিনে আদি পিতা হজরত আদম (আ.)-এর তওবা কবুল হয়, হজরত নুহ (আ.)-এর নৌকা জুদি পর্বতের চূড়ায় নোঙর করে। বিশেষ করে হজরত মুসা (আ.) ও তাঁর সম্প্রদায়কে ফেরাউনের কবল থেকে অলৌকিকভাবে মুক্তি এবং ফেরাউনকে তার দলবলসহ নীল নদে ডুবিয়ে মারার মতো ঐতিহাসিক ঘটনা এদিনেই সংঘটিত হয়েছিল। অধিকন্তু এদিনে ঈসা (আ.) জন্মগ্রহণ করেন। এ ছাড়া আরও অসংখ্য অলৌকিক, ঐতিহাসিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এই আশুরা। সংগত কারণেই মুসলমানদের কাছে আশুরার গুরুত্ব অপরিসীম। নবী-রসুলগণ এদিনটিকে রোজার মাধ্যমে উদ্যাপন করতেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘রমজানের পর সব রোজার (নফল) মধ্যে আশুরার রোজা সর্বশ্রেষ্ঠ। ’ তিরমিজি। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আশুরার দিনে নবীগণ রোজা রাখতেন, সুতরাং তোমরাও এদিনে রোজা রাখো। ’ মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা। হজরত আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আশুরার রোজার ব্যাপারে আমি আশাবাদী মহান আল্লাহ এর বিনিময়ে অতীতের এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন। ’ মুসলিম। হিজরি ৬১ সালের এই পুণ্যময় দিনে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৌহিত্র হজরত হোসাইন (রা.) কারবালার প্রান্তরে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করায় এ দিবসটি মুসলমানদের কাছে আরও স্মরণীয় ও শোকাবহ। তবে এই শোককে শক্তিতে পরিণত করে হোসাইনি আদর্শ বুকে ধারণ করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকা পালন করা ও বিশ্বময় ইসলামের বিজয় কেতন ওড়ানোর মানসে শেষ রক্তবিন্দু থাকা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া রক্তাক্ত কারবালার অনুপম শিক্ষা। মহান স্রষ্টার দরবারে এই মিনতি যে, তিনি যেন আমাদের আশুরার তাৎপর্য অনুধাবন এবং রোজা ও ইবাদতের মাধ্যমে এই দিবসের মাহাত্ম্য স্মরণ করার তাওফিক দান করেন। লেখক : খতিব, মাসজিদুল কোরআন জামে মসজিদ, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

ফিচার

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের আদলে পূজামণ্ডপ

স্টাফ | আপডেট: ১৫:৪৭, অক্টোবর ১৬ , ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: রংপুর: রংপুরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের আদলে সাজানো হয়েছে একটি পূজামণ্ডপ। ভিন্ন আঙ্গিকে তৈরি এ মণ্ডপটি সাড়া ফেলেছে রংপুরজুড়ে। নগরীর কামাল কাছনা দাসপাড়া কালীমন্দিরের এ পূজামণ্ডপে লোকজনের ভিড় চোখে পড়ার মতো। মঙ্গলবার (১৬ অক্টোবর) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দেবী দুর্গা দর্শনে এসে নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে পেরে খুশি অনেকেই। দেশের প্রথম স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের আদলে তৈরি এ মণ্ডপটি দেশপ্রেমের সঙ্গে ধর্মের প্রতীকী সম্মিলন করেছে।   এসময় কথা হয় শ্রীমতি কল্পনা রানী দাস, রিনা রানী দাস, রণজিৎ দাসসহ বেশ কয়েকজনের সঙ্গে। তারা উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে জানান, বেশ ভালো লাগছে। উপভোগ করার মতো।  এমন ভিন্ন আঙ্গিকে পূজামণ্ডপটি সাজানোয় পূজা উদযাপন কমিটিকে স্বাগত জানান তারা। অশুভ শক্তিকে বিনাশের মধ্য দিয়ে ও শুভশক্তির আগমনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা সম্পন্ন হবে সারাদেশে- এমন প্রত্যাশাও তাদের কণ্ঠে। এদিকে সকাল থেকেই নগরীর পূজা মণ্ডপগুলোতে মহা সপ্তমী অঞ্জলির মধ্য দিয়ে পুরোহিতরা শুরু করেন দুর্গোৎসবের অনুষ্ঠানিকতা। ছোট-বড় সব বয়সী মানুষের নজর কাড়তে পূজা মণ্ডগুলোর আশপাশে বসেছে বিভিন্ন স্টল। সেখানে দেশীয় হস্ত ও মৃৎশিল্পের পণ্য ছাড়াও মুখরোচক খাবারের পসরা সাজিয়েছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।  রংপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রী ধীমান ভট্টাচার্য বাংলানিউজকে জানান, রংপুর জেলায় ৯৪১টি পূজামণ্ডপে এবার শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। সবাই উৎসবের আমেজেই বৃহৎ এ দুর্গোৎসব উপদযাপন করছে। 

বিশ্বকাপ জয়ের উত্সবে বর্ণিল বার্লিন নগর
মিরোস্লাভ ক্লোসার হাতে মাইক্রোফোন। তাঁর নেতৃত্বে আনন্দ-সংগীত পরিবেশনরত অন্য জার্মান ফুটবলাররা।
রকমারি

শরীরের আয়রন অভাব দূর করতে রান্নায় লোহার...

অনলাইন ডেস্ক নিউজ | আপডেট: ০৬:০৫, অক্টোবর ১৭ , ২০১৮

বাঙালির খাদ্য তালিকায় একটা বড় জায়গা জুড়ে রয়েছে মাছ। তবে শুধু বাঙালি নয়, কম্বোডিয়াতেও সবজি বা তরকারিতে মাছ জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সে মাছ লোহার মাছ। রান্না সুস্বাদু করার জন্য নয়, শরীরের আয়রন অভাব দূর করতে কম্বোডিয়াতে ব্যবহার করা হয় লোহার তৈরি মাছ।

পুষ্টিবিদদের মতে, রক্তশূন্যতা বিশ্বের সবেচেয়ে বড় অপুষ্টিজনিত সমস্যা। এটি মূলত অন্তঃসত্ত্বা নারীদের আর বিভিন্ন বয়সের শিশু-কিশোরদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। জানা গেছে, কম্বোডিয়ার মতো উন্নয়নশীল দেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকের মতো নারী ও শিশু রক্তশূন্যতায় ভোগেন। 

রক্তশূন্যতার সমস্যা দূরীকরণের আয়রন ট্যাবলেট বা আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিত্সকেরা। কিন্তু আয়রন ট্যাবলেটের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে। কিন্তু কম্বোডিয়ায় ওষুধগুলো তেমন সহজলভ্য নয়, তাছাড়া অনেকের এই সব আয়রন ট্যাবলেট কেনার সামর্থ্য নেই। তাই শরীরে আয়রনের অভাব দূর করতে এই লোহার মাছ দিয়ে রান্নার কৌশলটি বের করেছেন কানাডার বিজ্ঞানী ক্রিস্টোফার চার্লস। 

ডঃ চার্লসের নির্দেশ মতো কম্বোডিয়ার একাধিক গ্রামে বাসিন্দারা রান্নায় সময় লোহার তৈরি মাছ ছেড়ে দিয়ে ফুটিয়ে নেন। রান্নার পদ্ধতিতে বা উপকরণে বদল বলতে সেই এক টুকরো লোহার মাছ। এ পদ্ধতি অনুসরণ করে এক বছরের মধ্যে সেই সব গ্রামের বাসিন্দাদের রক্তশূন্যতার সমস্যার সমাধান হয়েছে বলে জানা গেছে।

ডঃ চার্লসের মতে, রান্নার সঙ্গে লোহার মাছ মাত্র ১০-১২ মিনিট ফুটিয়ে নিলেই উপকার পাওয়া যায়। এর পর মাছটিকে তুলে নিয়ে একটু লেবুর রস যোগ করতে হবে যা আয়রনের শোষণের জন্য খুবই প্রয়োজন।

লিভারপুল স্কুল অফ ট্রপিকাল মেডিসিনের ইন্টারন্যাশনাল পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট'র প্রধান অধ্যাপক ইমেল্ডা বেটসও ডঃ ক্রিস্টোফার চার্লসের এই পদ্ধতির কার্যকারীতা মেনে নিয়েছেন। তবে লোহার মাছের বদলে সমপরিমাণ লোহার টুকরো দিলেও একই ফল মিলবে। কম্বোডিয়ার প্রায় আড়াই হাজার পরিবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করে সুফল পেয়েছে।